মেহেরপুরে বিয়ের দাবীতে ৫ দিন অবস্থান প্রেমিকার। বাড়ি ফেরালেন পুলিশ
অন্যান্য ঢাকা

মেহেরপুরে বিয়ের দাবীতে ৫ দিন অবস্থান প্রেমিকার। বাড়ি ফেরালেন পুলিশ

সবার সংবাদ প্রতিবেদক:

তিন বছর আগে পরিচয়, সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। প্রেম থেকে বিয়ের দাবীতে প্রেমিক শরিফুল ইসলামের বাড়িতে হাজির হন প্রেমিকা সুমাইয়া আক্তার। ৫ দিন অবস্থান করলেও পুলিশের সহযোগিতায় বাড়ি ফেরেন প্রেমিকা সুমাইয়া আক্তার। ঘটনাটি মেহেরপুর সদর উপজেলার আলমপুর গ্রামে। প্রেমিক শরিফুল ইসলাম সেনাবাহিনীর সিভিল স্টাফ হিসেবে কর্মরত আছেন।

অন্য দিকে ৬ মাস আগে শরিফুল পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন বলে দাবী করেন তার পরিবারের। দু'পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন দাবি পুলিশের। তিন বছর আগে মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে পিঠা উৎসবে দু'জনের পরিচয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কথোপকথনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। নয় মাস আগে হয় প্রেম সম্পর্ক।

শরিফুলের বড় ভাই মহিবুল ইসলাম জানান, পাঁচ দিন ধরে সুমাইয়া খাতুনের পরিবারের ৫ থেকে ১০ জন সদস্য আমাদের বাড়িতে অবস্থান করাই আমরা খুব সমস্যার মধ্যে আছি। সেই সাথে আমার পরিবারকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে সুমাইয়ার ভাইসহ তার পরিবারের সদস্যরা। তিনি আরো অভিযোগ করেন, গ্রামের কয়েকজনের ইন্ধনে মেয়ের ভাই জোরপূর্বক তার বোন কে আমাদের বাড়িতে রাখে। এমন কি মেয়ের পরিবারের লোকজন আমাদের বাসার জানাল ভেঙে মেয়েকে ঘরে তুলে দেয়। থানায় অভিযোগ সহ জরুরি সেবা ৯৯৯ কল করে পুলিশী সহায়তা নিতে হয়েছে আমাদের।

আমার ভাইয়ের ৬ মাস আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছে। মেয়ে বলছে বিয়ে করতে হবে। মেয়ের ভাই গ্রামের কিছু মানুষ নিয়ে আমাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে। আমরা এতদিন বাড়ি ছাড়া ছিলাম। পরে পুলিশ এসে মেয়েকে বাসা থেকে নিয়ে গেছে। তরুণী

সুমাইয়া আক্তারের অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করেন তারা। গত ২৩ জুন আমার সাথে দেখা করে চলে আসে। পরে আমি বিষয়গুলো তার পরিবারকে জানাতে আসলে আমাকে বসিয়ে রেখে পার্শ্ববর্তী চিৎলা এক তরুণীর সাথে বিয়ে করেন। পরে বিষয়টি আমি আমার পরিবারকে জানালে শারিফুল ইসলামের পরিবারের সকল সদস্য বাড়ি থেকে চলে যাই। স্থানীয়দের সহায়তায় গত পাঁচ দিন যাবত আমি বাড়িতে অবস্থান করলেও শারিফুল বাবা ও মা এখন পর্যন্ত আমার সাথে দেখা করেনি।

মেহেরপুর সদর থানার ওসি শেখ কনি মিয়া জানান, একটা মেয়ে বিয়ের দাবীতে সেনাবাহিনীর সিভিল স্টাফের বাসাতে অবস্থান করছিলো। আমরা তাকে উদ্ধার করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।